Raw jackfruits health benefits: গরমে এঁচোড় তো খান, এর গুণাগুণ সম্পর্কে জানেন ? নীরবে আপনার শরীরে কী কী পরিবর্তন আনছে, জেনে নিন
বাঙালিরা আদর করে নাম দিয়েছে ‘গাছপাঁঠা’। কষিয়ে ভাল করে তেল-মসলা দিয়ে রান্না করলে খাসির মাংসের সমান টেস্ট হয়। কিন্তু কাটতে ঝামেলা বলে অনেকেই বাজারে এই ফলটাকে এড়িয়ে যান। অজান্তেই কতবড় ভুল করছেন জানেন ? এঁচোড় মোটেই অবহেলার পাত্র নয়। বরং সে অনেক গুণের অধিকারী। এঁচোড় বা কাঁঠাল দুটিই গুণী। এমনিতেই তো আর বাংলাদেশ জাতীয় ফলের মর্যাদা দেয়নি। কেরলেও ‘স্টেট ফ্রুট’ হিসেবে স্বীকৃত। ফাল্গুন- চৈত্র মাসে যখন বসন্তের হাল্কা বাতাস মন ফুরফুরে করে, তখন কুচো চিংড়ি সহযোগে এঁচোড়ের ডালনা রসনাকে অপূর্ব তৃপ্তি দেয়। তবে মাথায় রাখতে হবে, শুধু রসনা নয়, এঁচোড়ের অনেক উপকারিতা।
মানব শরীরে হাড় শক্ত রাখে ক্যালসিয়াম। একটা এঁচোড়ের মধ্যে যা প্রচুর পরিমাণে থাকে।
কাঁঠালে ব্যাপক পরিমাণে ভিটামিন এ ও বিটা ক্যারোটিন থাকে। যা আপনার চোখ ভালো রাখে।
এঁচোড় ফাইবারসমৃদ্ধ একটি ফল। ফাইবার হজম ক্ষমতা বাড়ায় ও পেট পরিষ্কার রাখে।
ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে ও মুখের বলিরেখা কমাতে এঁচোড় খান। কারণ এটি অ্যান্টিঅ্যাক্সিডেন্ট জাতীয় ফল।
শরীরের ক্যালোরি বাড়তে কাঁঠাল খুবই উপকারী।
পাইলসের মতো কঠিন রোগ ও কলোন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে তোলে।
কাঁঠালে প্রচুর আইরন থাকে। রক্তে লোহিত কণিকার পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে। যাঁরা রক্তাল্পতায় ভুগচ্ছেন, তাঁরা নিয়ম করে এঁচোড় বা কাঁঠাল খাবেন।
ভিটামিন সি থাকে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। শুধু এই টুকুই নয়, ক্যান্সার বা টিউমারের গঠন আটকায়।
এঁচোড়ে সোডিয়াম ও পটাশিমায় পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে। এই দুই বস্তু শরীরের ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্সকে ঠিক রাখে। ফলে হাইব্লাডপ্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকে।
এঁচোড়ের নিয়মিত ভক্ষণে আপনার হার্ট ভালো থাকে।
শুধু এঁচোড় বা কাঁঠাল নয়, এর দানাতেও ভিটামিন সি পাওয়া যায়। তাই সব দিক থেকে এই ফল খুব উপকারী। গরমের মরশুমে শরীর ভালো রাখতে নিয়মিত পাতে এঁচোড় রাখতে ভুলবেন না। তারপর বর্ষা এলে কাঁঠাল তো আছে। অবশ্য এখন গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল দিয়ে লাভ নেই।
এঁচোড়ের পুষ্টিগুণ
· জল-৭৪ %
· কার্বো হাইড্রেট- ২৩%
· প্রোটিন-২%
· ফ্যাট-১%
· ফাইবার
· ক্যালোরি
· ভিটামিন বি ৬
· ভিটামিন সি
· পটাশিয়াম
এঁচোড়ের উপকারিতা.
মানব শরীরে হাড় শক্ত রাখে ক্যালসিয়াম। একটা এঁচোড়ের মধ্যে যা প্রচুর পরিমাণে থাকে।
কাঁঠালে ব্যাপক পরিমাণে ভিটামিন এ ও বিটা ক্যারোটিন থাকে। যা আপনার চোখ ভালো রাখে।
এঁচোড় ফাইবারসমৃদ্ধ একটি ফল। ফাইবার হজম ক্ষমতা বাড়ায় ও পেট পরিষ্কার রাখে।
ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে ও মুখের বলিরেখা কমাতে এঁচোড় খান। কারণ এটি অ্যান্টিঅ্যাক্সিডেন্ট জাতীয় ফল।
শরীরের ক্যালোরি বাড়তে কাঁঠাল খুবই উপকারী।
পাইলসের মতো কঠিন রোগ ও কলোন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে তোলে।
কাঁঠালে প্রচুর আইরন থাকে। রক্তে লোহিত কণিকার পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে। যাঁরা রক্তাল্পতায় ভুগচ্ছেন, তাঁরা নিয়ম করে এঁচোড় বা কাঁঠাল খাবেন।
ভিটামিন সি থাকে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। শুধু এই টুকুই নয়, ক্যান্সার বা টিউমারের গঠন আটকায়।
এঁচোড়ে সোডিয়াম ও পটাশিমায় পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে। এই দুই বস্তু শরীরের ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্সকে ঠিক রাখে। ফলে হাইব্লাডপ্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকে।
এঁচোড়ের নিয়মিত ভক্ষণে আপনার হার্ট ভালো থাকে।
শুধু এঁচোড় বা কাঁঠাল নয়, এর দানাতেও ভিটামিন সি পাওয়া যায়। তাই সব দিক থেকে এই ফল খুব উপকারী। গরমের মরশুমে শরীর ভালো রাখতে নিয়মিত পাতে এঁচোড় রাখতে ভুলবেন না। তারপর বর্ষা এলে কাঁঠাল তো আছে। অবশ্য এখন গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল দিয়ে লাভ নেই।


No comments: