ads

Silent stroke: নিঃশব্দে স্ট্রোক কতটা বিপজ্জনক ? কীভাবে বাঁচবেন ? জেনে নিন

নিঃশব্দে বিপ্লবের মতো আপনার শরীরেও নীরবে হানা দিতে পারে সাক্ষাৎ মৃত্যু। কিন্তু সে এতোই ভয়ঙ্কর যে আপনি ঘুণাক্ষরেও কিছু টের পাবেন না। ডাক্তারি ভাষায় যার নাম ‘নিঃশব্দ স্ট্রোক’ (Silent stroke )। প্রশ্ন উঠতে পারে, মানুষের স্ট্রোক হয়েছে অথচ তা বোঝা যাবে না ? তাই কখনো হয় ? হ্যাঁ, হয়। খুব নীরবে আপনি স্ট্রোকে আক্রান্ত হতে পারেন। কোন পূর্বাভাষ থাকে না। আপনি আপনার অজান্তেই স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। সাধারণত স্ট্রোক হলে মানুষ চোখে ঝাপসা দেখে, পক্ষাঘাতগ্রস্থ হয়ে পড়েন, শরীর অসাড় হয়ে যায়। নিঃশব্দ স্ট্রোকে এইসব কোন কিছুই বোঝা যায় না। কেন বোঝা যায় না ? নিঃশব্দে স্ট্রোকে আপনার মাথার কোন অংশ হঠাৎ রক্ত সরবরাহ বন্ধ করে দেয় অথবা অক্সিজেনের মাত্রা ঠিকঠাক পৌঁছায় না। কিন্তু বাহ্যিকভাবে এর কোন প্রভাব পড়ে না। তাই কিছু বোঝা যায় না। কীভাবে ধরা পড়ে ? যখন শারীরিক অসুস্থতার জন্য ডাক্তার সিটিস্ক্যান বা এমআরআই করতে বলেন, তখন দেখা যায় মাথার ভিতর কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

কীভাবে বুঝবেন ?

সাধারণভাবে কিছু বোঝা যায় না। কিন্তু সাইলেন্ট স্ট্রোক (Silent stroke ) নীরবে আপনার ক্ষতি করতে থাকে। ব্রেনের নানা অংশকে ড্যামেজ করতে শুরু করে। তখন আপনার স্মৃতি শক্তি হ্রাস বা মনোযোগের অভাব দেখা যায়। বয়স্ক মানুষ একে বার্ধক্যজনিত অসুখ ভেবেই ভুল করেন। উপসর্গগুলি কি কি ?

-স্মৃতিশক্তি ক্রমে যাওয়া, কোন কিছু মনে রাখতে অসুবিধা

-মল মূত্রের নিয়ন্ত্রণ হারানো

-সিদ্ধান্ত গ্রহণে অক্ষমতা

-হঠাৎ করে কান্না পাওয়া বা হাসির মতো আবেগের উচ্ছ্বাস

- আগে দেখা স্থান আর চিনতে না পারা

-ভারসাম্য হারানো

- মেজাজের পরিবর্তন

-পড়ে যাওয়া

কীভাবে প্রতিরোধ করবেন ?

সাইলেন্ট স্ট্রোক (Silent stroke ) বোঝা যেমন কঠিন, তেমনি সারিয়ে তোলা আরও দুষ্কর। বিভিন্ন ধরণের থেরাপির মাধ্যমে মাথার ক্ষতিগ্রস্থ অংশ কিছুটা রিকভার করতে পারে। তাই আগে থেকে কীভাবে সতর্ক হবেন-

-ব্লাড প্রেসার বেশি থাকলে স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ওষুধ খেয়ে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করুন।

-মানসিক চাপ থেকে নিজেকে দূরে রাখার চেষ্টা করতে হবে।

-প্রতিদিন যদি অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম বা শরীর চর্চা করেন তাহলে স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা ৪০ শতাংশ কমে যায়।

-খাবারে সোডিয়ামের পরিমাণ কমালে কোলেস্টরল নিয়ন্ত্রণে থাকবে। স্ট্রোকের ঝুঁকি কম।

-রক্তে সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন।

- ফল ও সব্জি বেশি করে খান।

-ধূমপান অবিলম্বে ছাড়ুন।

- চিনিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।

-ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে, তাহলে স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি কমবে।

READ MORE:গ্যাস-অম্বলে গাদা অ্যান্টাসিড না খেয়ে ঘরোয়া উপায়ে সুস্থ হয়ে উঠুন

No comments:

Powered by Blogger.